বিরলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বিরলের পূর্ব মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের ভাতিজা কর্তৃক স্কুলের ফ্যান, প্রিন্টার ও মাইক মেশিন চুরির ঘটনার বিচারের দাবিতে বিদ্যালয়ে প্রধান গেটে টায়ার জ¦ালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এলাকাবাসী। ১০ মার্চ বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বিরল পৌরসভাধীন মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিচারের দাবিতে প্রায় ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়- বিরল পৌরসভার অর্ন্তগত পূর্ব মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ও সভাপতি মহসিন আলী প্রায় ১ বছর আগে পূর্বমহেশপুর গ্রামের মেহেরুল ইসলামের পুত্র সাইফুলকে বিদ্যালয়ের নৈশ্য প্রহরী হিসেবে রাখেন (পরবর্তীতে নিয়োগ দেয়া হবে শর্তে)। সে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের আপন ভাতিজা বলে জানান স্থানীয়রা। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে পূর্ব মহেশপুর বাজারের ডেকোরেশন ব্যবসায়ী মোস্ত অরফে মোস্তফার কাছে মাইকের মেশিনটি বিক্রি করতে যায় সাইফুল। এ সময় ডেকোরেশন ব্যবসায়ী মোস্ত’র সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে চুরির ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। ১০ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ প্রদর্শন শেষে এলাকাবাসী বিরল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বিরল পৌরসভার মেয়র আলহাজ¦ সবুজার সিদ্দিক সাগরের কাছে বিচার চাইতে আসে। এসময় পৌর মেয়র ঘটনার বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলে তারা বিক্ষোভ কর্মসূচী স্থগিত রাখেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ে সভাপতি মহসিন আলী জানান- সাইফুলকে বিদ্যালয়ের রাখার বিষয়টি আমি জানিনা। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিজেই রেখেছেন, আমি পরে জানতে পেরে নিষেধ করেছি। চুরির ঘটনাও আমি স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরেছি। বুধবার রাত ৯.২০ মিনিটের দিকে এ ব্যাপাওে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের মুঠোফোন ( ০১৭৫৮৩৬১৫৭৪) নাম্বানে ফোন দিলে তিনি জানান- আসলে স্কুলে লোক কম থাকায় তাকে রাখা হয়েছিল, তবে সভাপতিও বিষয়টি জানেন এবং বিদ্যালয়ে রেজুলেশন করে রাখা হয়েছে। স্কুল গেটে বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান- না ভাই বিক্ষোভের বিষয়ে আমি জানিনা, আমি তো ঢাকায় যাচ্ছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন