শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
দিনাজপুর থেকে প্রকাশিত সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক খবর একদিন পএিকার জন্য খানসামা, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও চিরিরবন্দরের জন্য উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। মেইল : khaborekdin2012@gmail.com। মোবাইল : 01714910779
সর্বশেষঃ
দিনাজপুর শহরসহ জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৭ হাজার মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে ঝড়ে উড়ে গেল প্রধান মন্ত্রীর উপহারের ঘরের চাল ফুলবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় চালকসহ আহত ১০ যাত্রী ফুলবাড়ীতে আনসারদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ বীরগঞ্জে বজ্রপাতে এক নারী নিহত দিনাজপুরে সেন্ট ফিলিপস্ এলামনাই ফোরাম এর উদ্যোগে ঈদ উপহার প্রদান পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির শুভেচ্ছা দিনাজপুরে বিভিন্ন আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালিত ত্যাগের মধ্যে যে আনন্দ আছে ভোগের মধ্যে তা নেই-হুইপ ইকবালুর রহিম বাংলাদেশের উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করা স্বাধীনতা বিরোধীদের অপপ্রয়াস- এমপি গোপাল

আজ ফুলবাড়ীর আঁখিরা গণহত্যা দিবস

ফুলবাড়ী সংবাদদাতা ॥ আজ শনিবার দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর আঁখিরা গণহত্যা দিবস। ৫০ বছর আগে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই দিনে খানসেনাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-সামস বাহিনীর সহযোগিতায় হানাদার পাকিস্তানী খানসেনারা ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের আখিরা নামক স্থানে অর্ধশত হিন্দু পরিবারের দেড়শতাধিক নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতি, শিশু-কিশোর-কিশোরীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এই গণহত্যার ৫০ বছর পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপির সক্রিয় সহযোগিতায় সেই বধ্যভূমিতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণ কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত বিভাগ।
এমপি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী খানসেনা ও তাদের এদেশিয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আলশামসদের হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে মুক্তিকামী মানুষ ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পথে দেশ ত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নিতে শুরু করেন। এমনিভাবে এই দিনে ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাজাকার কেনান সরকার পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জ, বিরামপুর, পার্বতীপুরের শেরপুর, ভবানীপুর, বদরগঞ্জ ও বদরগঞ্জের খোলাহাটিসহ বিভিন্ন এলাকার অর্ধশত হিন্দু পরিবারের দেড়শতাধিক নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর-কিশোরীকে নিরাপদে ভারতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ফুলবাড়ীতে নিয়ে আসে। এরপর রাজাকার কেনান সরকার অস্ত্রের মুখে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই নিরস্ত্র বাঙালি পরিবারগুলোর সঙ্গে থাকা অর্থ সম্পদসহ স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে তাদেরকে খানসেনাদের হাতে তুলে দেয়। পরে খানসেনারা ওই পরিবারগুলোকে ওইদিন সকাল ১১টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের বারাইহাট সংলগ্ন আঁখিরা পুকুর পাড়ে নিয়ে জড়ো করে। এরপর সবাইকে লাইন করে দাঁড় করে ব্রাশ ফায়ারে হত্যাযজ্ঞ চালায়। এরপরও যারা বেঁচে ছিলেন তাদেরকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে হানাদারেরা। তবে দেশ স্বাধীনের পর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধারা কেনান সরকারকে ধরে এনে শরীর থেকে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে দেন। আত্মদানকারী ওইসব বীর শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পাকিস্তানী খানসেনা ও তাদের দোসর রাজাকার, আলবদরদের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের ইতিহাস জানাতে ওই বধ্যভূমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে স্মৃতিস্তম্ভ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন