শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
দিনাজপুর থেকে প্রকাশিত সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক খবর একদিন পএিকার জন্য খানসামা, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও চিরিরবন্দরের জন্য উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। মেইল : khaborekdin2012@gmail.com। মোবাইল : 01714910779
সর্বশেষঃ
দিনাজপুর শহরসহ জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৭ হাজার মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে ঝড়ে উড়ে গেল প্রধান মন্ত্রীর উপহারের ঘরের চাল ফুলবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় চালকসহ আহত ১০ যাত্রী ফুলবাড়ীতে আনসারদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ বীরগঞ্জে বজ্রপাতে এক নারী নিহত দিনাজপুরে সেন্ট ফিলিপস্ এলামনাই ফোরাম এর উদ্যোগে ঈদ উপহার প্রদান পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির শুভেচ্ছা দিনাজপুরে বিভিন্ন আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালিত ত্যাগের মধ্যে যে আনন্দ আছে ভোগের মধ্যে তা নেই-হুইপ ইকবালুর রহিম বাংলাদেশের উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করা স্বাধীনতা বিরোধীদের অপপ্রয়াস- এমপি গোপাল

সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে নবাবগঞ্জের আশ্রয়ন প্রকল্পের বাড়ীতে ফাটল

নবাবগঞ্জ সংবাদাতা ॥ বাবারে সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে রাতে শোয়া থেকে উঠে বসে থেকে আল্লাহ আল্লাহ করি। মনে হয় সমস্তবাড়ী কেপে উঠছে। কখন যে কি হয়। কয়েক দিন পূর্বে সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে বাড়ীর টিন উড়ে গেল। খুলে পড়ল গাথুনির ইট। ফাটল ধরল বারান্দার খুটিতে। এই সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে যদি এমন অবস্থা হয় বাবা তাহলে বড় ঝড় বৃষ্টিতে কি এখানে থাকা যাবে।
এ ভাবেই কথাগুলো বলে যাচ্ছিলেন উপজেলার শালখুরিয়া ইউনিয়নের বেড়ামালিয়া গ্রামে আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসাবে পাওয়া বাড়ীতে বাস করা মেহের বানু জহুরা বেগম জোসনা বেগম বিলকিস বেগম মালেকা বেগম সহ অন্যরা। ওই এলাকায় গেলে তারা এ প্রতিনিধিকে তাদের ঘরের ক্ষতি হওয়া জায়গা গুলো দেখান আর ওইসব বলতে থাকেন।
তারা জানান ক্ষতি হওয়ার সংবাদ পেয়ে সরকারী ভাবে উড়ে যাওয়া ঘরের টিনগুলো ঠিক করে দেয়া হয়েছে। টিন যেন আর উড়ে না যায় সেজন্য ঘরের দেয়ালে যেন তেন ভাবে পেরেক সাটিয়ে চিকন জি আই তার দ্বারা বেঁধে দেয়া হয়েছে। বসবাস কারীগণ বাড়ীগুলোকে নিরাপদ মনে করছেন না এবং তারা শংকিত কখন যে কি হয় তা নিয়ে।
এ ছাড়াও প্রায় ২ মাস অতিবাহিত হলেও এ পর্যন্ত তাদের পানির কোন ব্যবস্থা করা হয় নাই বলে তারা জানান। তারা এই পবিত্র রমজান মাসে পানির জন্য ভোগান্তি শিকার হচ্ছেন। বিষয়টির প্রতি তারা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
অপর দিকে শালখুরিয়া গ্রামে যে ঘরগুলো তৈরী করা হয়েছে সেখানেও একই অবস্থা দেখা গেছে। সেখানে যারা ঘর পেয়েছেন তারা কেউ কেউ মালামাল রেখে গেলেও বাস করছেন না বলে স্থানীয় প্রতিবেশিরা জানান। সেখানেও কোন পানির ব্যবস্থা নাই।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন