শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
দিনাজপুর থেকে প্রকাশিত সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক খবর একদিন পএিকার জন্য খানসামা, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও চিরিরবন্দরের জন্য উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। মেইল : khaborekdin2012@gmail.com। মোবাইল : 01714910779
সর্বশেষঃ
দিনাজপুর শহরসহ জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৭ হাজার মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে ঝড়ে উড়ে গেল প্রধান মন্ত্রীর উপহারের ঘরের চাল ফুলবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় চালকসহ আহত ১০ যাত্রী ফুলবাড়ীতে আনসারদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ বীরগঞ্জে বজ্রপাতে এক নারী নিহত দিনাজপুরে সেন্ট ফিলিপস্ এলামনাই ফোরাম এর উদ্যোগে ঈদ উপহার প্রদান পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির শুভেচ্ছা দিনাজপুরে বিভিন্ন আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালিত ত্যাগের মধ্যে যে আনন্দ আছে ভোগের মধ্যে তা নেই-হুইপ ইকবালুর রহিম বাংলাদেশের উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করা স্বাধীনতা বিরোধীদের অপপ্রয়াস- এমপি গোপাল

বড়ই চাষে মাইলফলক ছুঁয়েছেন ঘোড়াঘাটের সাব্বির

ঘোড়াঘাট সংবাদদাতা ॥ কৃষি প্রধান এই বাংলাদেশে নানা জাতের ফলমূল ও সবজি চাষে সফলতার গল্প তৈরি করেছেন হাজারো কৃষক। বাংলাদেশের মাটি এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন ফলমূল ও সবজি চাষে প্রতিনিয়ত সফলতা ছিনিয়ে এনেছেন কৃষকেরা।
তেমনি ভাবে একাধিক জাতের বড়াই চাষে সফলতার মাইলফলক ছুঁয়েছেন সাব্বির মিয়া। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সৌখিন কৃষক সাব্বির মিয়া। আধুনিক কৃষিকাজে দীর্ঘদিন থেকেই বেশ আগ্রহ তার। ইউটিউবে দেখে দুগ্ধজাত গরু পালন, ধান এবং ভুট্টা চাষের পাশাপাশি নিজের ৮০ শতাংশ জমিতে পৃথক দুটি জাতের বড়াই চারা লাগিয়েছেন তিনি।
বেলে দোআঁশ মাটিতে কাশমিরী ও সুন্দরী জাতের প্রায় তিন শতাধিক বড়াই গাছে মাত্র ৮ মাসে সব গুলো গাছেই দেখা মেলে সুমিষ্ট বড়াইয়ের। যা বাজারে বিক্রি করে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা লাভবান হয়েছে তিনি।
তার এই সফলতা বড়াই চাষে আগ্রহ জোগাচ্ছে আধুনিক কৃষিতে আগ্রহী চাষীদের।
বড়াই বাগান ঘুরে দেখা যায়, নেট দিয়ে ঘেরা বাগানে সারি সারি গাছে ঝুপড়ে ধরেছে বড়াই। পাখির হাত থেকে রক্ষা পেতে পুরো বাগানের উপরে দেয়া হয়েছে সূতোর নেট। প্রতিটি গাছে বড়াই ধরে আছে প্রায় ১ থেকে আড়াই মণ। দুজন শ্রমিক গাছগুলো থেকে পরিপক্ব বড়াই সংগ্রহ করে ঝুড়িতে করে বাজারজাত করছে।
সফল বড়াই চাষী সাব্বির মিয়া জানান, প্রতি পিছ ২০ টাকা মূল্যে ৩৫০টি বড়াই চারা সংগ্রহ করে বাগানে রোপন করেছিলেন সে। রোপন পর থেকে বড়াই বাজারে বিক্রি পর্যন্ত তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। অপর দিকে প্রায় ৬ লাখ টাকার বড়াই সে স্থানীয় বাজারে পাইকারী মূল্যে বিক্রি করেছেন। তিনি আরো জানান, প্রথম অবস্থায় ২ হাজার ৮০০ টাকা দরে প্রতি মণ বড়াই বাজারে বিক্রি করেছেন। শেষ মুহুর্তে সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা দরে প্রতি মণ বড়াই বাজারে বিক্রি করেছে সে।
ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এখলাছ হোসেন সরকার বলেন, ঘোড়াঘাটের মাটি এবং আবহাওয়া বিভিন্ন জাতের বড়াই চাষের জন্য বেশ উপযোগী। আমরা কৃষকদেরকে বড়াই চাষে উদ্বুদ্ধ করছি। পাশাপাশি যারা বড়াই চাষে ঝুঁকছে, তাদেরকে নিয়মিত সার্বিক পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন