1. admin@dailykhaborekdin.com : দৈনিক খবর একদিন :
  2. khaborekdin2012@gmail.com : Khabor Ekdin : Khabor Ekdin
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
হাবিপ্রবিতে বিদেশী শিক্ষার্থীদের ঈদ উৎযাপন আজকের বিষয় পর্ব ৬২#শিশুর করোনা (Covid 19), করণীয় ও চিকিৎসা। ঘোড়াঘাটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর এককালীন চেক বিতরণ আমের রপ্তানি বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী দিনাজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীতে অর্ন্তভূক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা সভা দিনাজপুরে করোনায় নতুন আরো ৬৮ জনসহ মোট আক্রান্ত ১১২১২ জন \ এ পর্যন্ত ২০৮ জনের মত্যু বোচাগঞ্জে ১১৪০টি পরিবাবের মাঝে জরুরী খাদ্য ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত কারিগররা হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির নির্দেশনা ও সহযোগিতায় দিনাজপুর জেলা যুবলীগের বিনামুল্যে জরুরী ঔষধ বিতরন অব্যাহত দিনাজপুর সদর উপজেলা ক্ষুদ্র চা দোকানদার শ্রমিক ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠন

মধ্যপাড়ার পাথর খনি এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে দাঁড়িয়েছে জিটিসি চ্যারিটি হোম

দৈ‌নিক খবর একদিন ডেস্ক
  • সর্বশেষ সংবাদ বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০০ বার প‌ঠিত

ফুলবাড়ী সংবাদদাতা ॥ দেশের উত্তর অঞ্চলের একমাত্র দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যপাড়া পাথর খনিকে লোকসানের হাত থেকে বাচিঁয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করে খনির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) পাথর উৎপাদন ও উন্নয়নের পাশাপাশি খনি এলাকাবাসীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দিতে খনি সংলগ্ন সমাজকল্যান সংস্থা জিটিসি চ্যারিটি হোম প্রতিষ্ঠা করে এলাকায় মানুষের সেবায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। বেসরকারী সংস্থাটি এলাকার মানুষদের সেবায় ও খনি শ্রমিকদের সুবিদার্থে এই চ্যারিটি হোম নামে এই প্রতিষ্ঠানটি চালু করেছে। যা বর্তমান এলার মানুষের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে চলছে।
পার্বতীপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে বাংলাদেশের অন্যান্ন গ্রামের মতো প্রত্যন্ত একটি গ্রাম মধ্যপাড়া। সেই গ্রামটিই আজ নিজ পরিচয়ে দেশ বিদেশে পরিচিত। কেননা সেখানে রয়েছে দেশের একমাত্র এবং বৃহৎ উৎপাদনশীল মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি। বাংলাদেশের খনিজ সম্পদে সম্বৃদ্ধ পার্বতীপুর উপজেলার একটি সুনামধন্য এলাকা এই হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া।
৩ হাজার ৮৮৮ বর্গ কিলোমটিার আয়তনের এই ইউনিয়নে রয়েছে ১৪ টি গ্রাম। প্রত্যন্ত এই জনপদে কঠিন শিলা খনির কারনে আজ এখানকার অর্থনীতি অন্য গ্রমীন জনপদ থেকে উন্নত। ২০০৭ সালে খনি থেকে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। আশায় বুক বাধে খনি এলাকাবাসী। এই খনিতে বেকারদের হবে কর্মসংস্থান। পাল্টে যাবে এই জনপদের অর্থনীতির চেহারা। কিন্তু সেই স্বপ্ন তাদের স্বপ্নই রয়ে যায়। দীর্ঘ ৬ টি বছর এই খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলা খনিটি শত কোটি টাকার উপরে লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে বন্ধের উপক্রম হয়।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের সম্পদ কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডে মধ্যপাড়ার উন্নত শিলা ব্যবহার বাড়াতে ২০১৩ ইং সালে খনিটির দাযিত্ব তুলে দেন দেশীয় একমাত্র মাইনিং কোম্পানী জার্মানীয়া কর্পোরেশন লিমিটেড ও বেলারুশ কোম্পানী ট্রেস্ট এস এস এর যৌথ প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) এর হাতে। সরকারের এই লোকসানী প্রতিষ্টানটিকে লাভের দিকে নিয়ে যেতে দায়িত্ব গ্রহনের শুরু থেকেই জিটিসি খনির উৎপাদন এবং উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে খনির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী তিন শিফট চালু করে এই খনির পাথর উৎপাদন ইতিহাসে রেকর্ড গড়ে। ফলে পাথর খনিটি দুই অর্থ বছরের লাভের মুখ দেখেছে। খনিটি এখন সরকারের লাভজনক প্রতিষ্ঠান। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি খনির পাথর উৎপাদন ও উন্নয়ন এর পাশাপাশি খনির সন্মুখে চ্যারিটি হোম স্থাপন করে বিভিন্ন সামাজিক কল্যানমূলক কর্মকান্ড এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ সেবা দিয়ে এলাকাবাসীদের পাশে দাড়িয়ে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছে।
এলাকার মানুষ বলছে ইতিপূর্বে এই খনি এলাকাবাসীর জন্য এমন সামাজিক কর্মকান্ড নিয়ে এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কেউ তাদের পাশে দাড়ায়নি। জিটিসি’র এই সেবা মূলক কর্মকান্ড একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীগুলোর জন্য এক দৃষ্টান্ত হতে পারে।
মধ্যপাড়া পাথর খনির খনির উন্নয়ন ও উৎপাদন কাজে নিয়োজিত জার্মানীয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) পাথর খনির উন্নয়ন ও উৎপাদন করে খনির ইতিহাসে নয়া রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। খনি কার্যক্রমের পাশাপাশি খনির এলাকাবাসীদের জন্য সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে খনি সন্মুখে সমাজকল্যান সংস্থা “ জিটিসি চ্যারিটি হোম” স্থাপন করা হয়েছে। চ্যারিটি হোমে একজন অভিজ্ঞ এমবিবিএস ডাক্তার দ্বারা প্রতিদিন খনি এলাকার বিভিন্ন রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ সেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেই সাথে প্রতি মাসে খনি শ্রমিকদের উচ্চ শিক্ষায় অধ্যায়নরত সন্তানদের মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তি, নন এমপিভুক্ত মধ্যপাড়া মহাবিদ্যালয়কে মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে আর্থিক ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছে জিটিসি।
চ্যারিটি হোমে এই প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ১০ কিলোমিটার দুর পাচঁপুকুর গ্রাম থেকে ডাক্তার দেখাতে আসা ৭০ বছর বয়সী বিধবা বৃদ্ধা মোছাঃ সফিরন বেওয়ার সাথে। তিনি বলেন, মুই অনেকদিন থেকে অসুখে ভুগছো, সরকারী হাসপাতাল মেলা দুর। যাবারও পারো না। মানষের কাছে শুননু এই খনির জিটিসি নাকি এটি একটা বড় ডাক্তার বসাইছে হামার এলাকার মানুষের চিকিৎসা দিবার তনে। তাই আইছু বাবা। ডাক্তার মোক দেখলো। ঔষুধ দিল। মনে হছে এবার অসুখ ভালো হবে মোর। আল্লাহ জিটিসি’র ভালো করুক।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সংবাদ
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )