1. admin@dailykhaborekdin.com : দৈনিক খবর একদিন :
  2. khaborekdin2012@gmail.com : Khabor Ekdin : Khabor Ekdin
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
চেনা মুখ অচেনা মানুষ ### সুবল সেন, দিনাজপুরের ব্যানার শিল্প ও শিল্পীকথা হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির সহধর্মিনীর বড় ভাই ড. গোলাম ফারুকের দাফন সম্পন্ন বিরামপুরে স্বেচ্ছা সেবক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত করোনা প্রতিরোধে গ্রাম পর্যায়ে মনিটরিং বাড়াতে হবে — হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি ফুলবাড়ীতে দীর্ঘদিনের ৫ হাজার বিঘা জমির জলাবদ্ধতা নিরসন নির্মাণকৃত ইউড্রেনে পানি প্রবাহের উদ্বোধন ঘোড়াঘাট পৌর যুবলীগের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও মাস্ক বিতরণ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির হাবিপ্রবিতে বিদেশী শিক্ষার্থীদের ঈদ উৎযাপন আজকের বিষয় পর্ব ৬২#শিশুর করোনা (Covid 19), করণীয় ও চিকিৎসা। ঘোড়াঘাটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর এককালীন চেক বিতরণ

বিরামপুরে তরমুজের দাম আকাশ ছোঁয়া

দৈ‌নিক খবর একদিন ডেস্ক
  • সর্বশেষ সংবাদ মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৮ বার প‌ঠিত

বিরামপুর সংবাদদাতা ॥ দিনাজপুরের বিরামপুরে মৌসুমী ফল হিসেবে তরমুজের বেশ জনপ্রিয়তা রেয়েছে। আবার সেই মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ এখন ৪৫/৫০টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা সাধারণেরা অভিযোগ করে বলেন তরমুজ ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করেই তাদের পছন্দ মত দাম হাকিয়েছেন।
মৌসুমী ফল তরমুজ বের হওয়ার পর থেকে ১ম রমজান থেকে ১৩ রমজান পর্যন্ত গতকাল তরমুজ ব্যবসায়ীরা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে আসছিলো। কিন্তু আজ হঠাৎ করে ব্যবসায়ীরা ৪৫/৫০টাকা প্রতি কেজি দরে দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন। এতে করে অনেকের সাথে এবং ক্রেতা বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমত ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, পৌর শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে, অবসর মোড়,বাসষ্ট্যান্ড,রমুক্তিযোদ্ধা হোটেলের সামনে এবং লাইনপাড় বেশ কিছু দোকানদারা তারা ৪৫/৫০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে।
তরমুজ কিনতে আসা দিনমজুর মোকলেছ আলী বলেন, আমি সারাদিন কাজ করে ৩শ টাকা পাই উপার্জন করি। এই রোজগারে টাকায় চাল, ডাল, মাছ, তরকারি কিনলে আমার কাছে আর টাকা থাকেনা। তারপর ১টি তরমুজ ওজন ৫/৬ কেজি তার দাম আবার ২৫০ হতে ৩০০ টাকা। সারাদিন যা আয় করছি তা দিয়ে যদি তরমুজ কিনি তাহলে আমার সংসার চলবে কেমন করে। তাই আমার পক্ষে তরমুজ কেনা সম্ভব না।
তরমুজ কিনতে আসা আরেকজন ক্রেতা অটোচালক মানিক জানান, সারাদিন গাড়ী চালিয়ে ৪শ টাকা আয় করি, আর লোকজন না থাকায় আয় ও কিছুটা কম হচ্ছে। বেলা শেষে যা আয় করি কোন রকম বউ বাচ্চা পরিবার পরিজনদের নিয়ে খেয়ে পরে বেঁচে আছি। আমার এই রোজগারে তরমুজ কেনার সাধ্য কোথায়।
বাজারের কয়েকজন খুচরা তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা আবার আমাদের কাছে কেজিতে বিক্রি করে। আমরাও তখন কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সংবাদ
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )