দিনাজপুরে করোনায় মৃত্যুবরণ করা দুই জন নার্সের পরিবারের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ অনুদানের ৭৫ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর করেন হুইপ ইকবালুর রহিম

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা করতে গিয়ে যারা নিজেরাই আক্রান্ত হয়ে করোনা যোদ্ধা হিসেবে মৃত্যুবরণ করছে। জাতি তাদের কখনো ভুলবেনা। এই করোনা সমূখ যোদ্ধাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে প্রনোদনা ঘোষনা দিয়েছিলেন তা পর্যায় ক্রমে প্রত্যেক সেক্টরে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। হুইপ ইকবালুর রহিম, এমপি আজ  মঙ্গলবার ৪ মে জাতীয় সংসদ কার্যালয়ে দিনাজপুর জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ কারী নাসির্ং ইনস্ট্রাক্টর, মোছা: রহিমা খাতুন ও নাসির্ং ইনস্ট্রাক্টর, মোছা: আমিনা খাতুনের পরিবারের হাতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে প্রত্যেককে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের মঞ্জুরি চেক হস্তান্তরকালে উপরক্ত বক্তব্য রাখেন।
নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর রহিমা খাতুন গত ০২ নভেম্বর ২০২০ ও নাসির্ং ইনস্ট্রাক্টর, মোছা: আমিনা খাতুন, গত ১২ নভেম্বর ২০২০ তারিখে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধিন এই দুই নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর, দিনাজপুর নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত (কোভিড-১৯) হয়ে মৃত্যুবরণ করায় তাঁদের স্বামীদের অনুকূলে এই ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করেন। এ ব্যয় চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের অর্থ বিভাগের বাজেটর অধীন করোনা (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় ক্ষতিপূরণ বিশেষ অনুদান খাতে বরাদ্দকৃত ৫০০.০০ কোটি টাকা হতে নির্বাহ করা হবে। নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর রহিমা খাতুনের স্বামী: মো: শাহাদাত হুসেন ও নাসির্ং ইনস্ট্রাক্টর, মোছা: আমিনা খাতুনের স্বামী: মো: জাহাংগীর আলম, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমের নিকট থেকে চেক গ্রহণকালে আবেগে আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন