মঙ্গলবার, ১৫ Jun ২০২১, ১০:১৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
দিনাজপুর থেকে প্রকাশিত সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক খবর একদিন পএিকার জন্য খানসামা, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও চিরিরবন্দরের জন্য উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। মেইল : khaborekdin2012@gmail.com। মোবাইল : 01714910779
ব্রেকিং নিউজঃ
দিনাজপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রচারণার উদ্বোধন দিনাজপুরে ভুমিহীন আন্দোলন রংপুর বিভাগীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজ ৪ তরুণের সন্ধানের দাবীতে দিনাজপুরে মানববন্ধন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাবেক মন্ত্রী মরহুমা খুরশীদ জাহান হকের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন অঞ্জলী নারী উন্নয়ন সমবায় সমিতিকে নিবন্ধন ও সনদপত্র প্রদান দিনাজপুর নাট্য সমিতি শিল্পকলা পদকে মনোনীত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন নবনির্বাচিত কমিটির বীরগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর কৃষকের মৃতদেহ উদ্ধার নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত বিরামপুরে করোনা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, মাস্ক না পরলেই জরিমানা খানসামায় বেড়েছে জ্বর-ডায়রিয়া রোগী ॥ জনবল সংকটে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খানসামায় কাজে আসছে না জনস্বাস্থ্যের হাত ধোয়ার বেসিন

খানসামা সংবাদদাতা ॥ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে নির্মিত হাত ধোয়ার বেসিনটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কাজে আসছে না। নির্মাণের কয়েকদিন পর পানি ও সাবান থাকলেও এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। করোনা মহামারীতে হাত ধোয়ার জন্য বেসিনটি তৈরী করা হলেও সেটি বর্তমানে কাজে আসছে না সাধারণ মানুষ ও চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের।
১ জুন মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের পাশেই গত বছরে নির্মাণ করা হয় হাত ধোয়ার বেসিন। সেটির এখন হাত ধোয়ার টেপ ও টাইলস ভেঙ্গে পড়ে আছে আর বেসিনে ধুলোবালিও ময়লা জমে আছে। সেখানে নেই সাবানও। তদারকি না থাকায় হাত ধোয়ায় এসব বেসিন কোনো কাজেই আসছে না।
স্থানীয়রা জানান, নির্মাণের কয়েকদিন পর হতে বেসিনের টেপ কয়েক দফায় পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো নিম্নমানের হওয়ায় বেশিদিন স্থায়ীত্ব হচ্ছে না।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিরাজুল ইসলাম জানান, নির্মাণ ব্যয়সহ বেসিন নির্মাণের তথ্য জানতে গেলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে হবে। তবে বেসিনের ছোট-খাট কোন সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের জানালে মেরামত করা হবে।
এ বিষয়ে দিনাজপুর জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মুরাদ হোসেন বলেন, করোনা মহামারীতে সাধারন মানুষদের হাত ধোয়ার জন্য এসব বেসিন নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণের পর এগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয়। সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায় তাদেরই। হাসপাতালে নির্মিত বেসিন কেন অকেজো অবস্থায় আছে তা খোঁজ নিয়ে দ্রত সময়ে মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন