মঙ্গলবার, ১৫ Jun ২০২১, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তিঃ
দিনাজপুর থেকে প্রকাশিত সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত দৈনিক খবর একদিন পএিকার জন্য খানসামা, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও চিরিরবন্দরের জন্য উপজেলা প্রতিনিধি আবশ্যক। মেইল : khaborekdin2012@gmail.com। মোবাইল : 01714910779
ব্রেকিং নিউজঃ
দিনাজপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রচারণার উদ্বোধন দিনাজপুরে ভুমিহীন আন্দোলন রংপুর বিভাগীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজ ৪ তরুণের সন্ধানের দাবীতে দিনাজপুরে মানববন্ধন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাবেক মন্ত্রী মরহুমা খুরশীদ জাহান হকের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন অঞ্জলী নারী উন্নয়ন সমবায় সমিতিকে নিবন্ধন ও সনদপত্র প্রদান দিনাজপুর নাট্য সমিতি শিল্পকলা পদকে মনোনীত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু’র প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন নবনির্বাচিত কমিটির বীরগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর কৃষকের মৃতদেহ উদ্ধার নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত বিরামপুরে করোনা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, মাস্ক না পরলেই জরিমানা খানসামায় বেড়েছে জ্বর-ডায়রিয়া রোগী ॥ জনবল সংকটে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

দিনাজপুর জেলা কারাগারে স্বাধীনতার পর এই প্রথম মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত এক আসামীর ফাঁসি কার্যকর হলো

স্টাফ রিপোর্টার ॥ স্বাধীনতার পর এই প্রথম দিনাজপুর জেলা কারাগারে আব্দুল হক (৫২) নামে এক মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীর ফাঁসিকর করা হয়েছে।
বুধবার (৯ জুন) দিবাগত রাত ১২ টা ১ মিনিটে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত কার্যকর হওয়া আসামী আব্দুল হক রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়া গ্রামের মৃত আছির উদ্দিন’র ছেলে। ২০০২ সালের ২৮ আগষ্ট থেকে তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন।
ফাঁসি কার্যকরের সময় দিনাজপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক খালিদ মোহাম্মদ জাকি, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বিপিএম. পিপিএম (বার), সিভিল সার্জন মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ, জেল সুপার মোকাম্মেল হকসহ জেলা কাগারের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্তিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামী আব্দুল হকের একই এলাকার বেলী আক্তার’র (২৫) সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর যৌতুকের জন্য আসামী আব্দুল হক স্ত্রীকে নির্যাতন করতো। নির্যাতনের এক পর্যায়ে স্ত্রী বেলী আক্তারকে হত্যা করে। হত্যার পর ০৯-০২-২০০২ ইং তারিখে এ ব্যাপারে তার শাশুড়ি বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-১৫। জিআর নং-৮৬/২০০২, নারী ও শিশু মামলা নং-৩৩৭/২০০২, ধারা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১ (ক)।
গত ২০০৭ সালের ৩ মে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিজ্ঞ বিচারক মামলার শুনানী শেষে আসামী আব্দুল হককে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রদান করেন। পরে আব্দুল হকের পরিবার হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলেও সেখানে সাজা বহাল থাকে। সর্বশেষ আব্দুল হক রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন। গত বছরের ১৮ মে মামলাটির যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন না মঞ্জুর করলে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। সে হিসেবেই রাজশাহী থেকে আসা ওহিদুল ইসলাম নামে একজন জল্লাদের মাধ্যমে ৯ জুন দিবাগত রাতে আব্দুল হকের ফাঁসি কার্যকর হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর ৬ মাস ১ দিন কারাবাস শেষে ৯ জুন দিবাগত রাত ১২ টা ১ মিনিটে আসামী আব্দুল হকের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। আব্দুল হকের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার বিকেলে আব্দুল হকের পরিবারের ১৫ জন সদস্যের একটি দল তার সাথে শেষ সাক্ষাত করেন এবং খাবার খাইয়ে ঘণ্টাখানেক অবস্থান করে চলে যান। পরে রাতে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।
দিনাজপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মত দিনাজপুর জেলা কারাগারে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত কোন আসামীর ফাঁসি কার্যকর করা হলো।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন