পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বীরগঞ্জে খামারিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি \ গো-খামারিরা কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে গোবাদি পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পর করছেন। খামারিদে দাবি ভারত থেকে গরু না নিয়ে এসে স্থানীয়ভাবে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। এতে করে লাভের মুখ দেখবে স্থানীয় খামারিরা। বীরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় নিবন্ধিত গাভির খামার রয়েছে ১১৩ টি এবং ছাগলের খামার রয়েছে ৯টি। অনিবন্ধিত গাভির খামার রয়েছে ৩ হাজার ৭শত ৭১টি, গরু মোটা তাজাকরণ খামার রয়েছে ১শত ৭৫ টি, মহিষের খামার ১টি,ছাগলের খামার ২ শত ৩২টি,ভেড়ার খামার রয়েছে ১৮টি। বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী ২ হাজার ১শত ১৭টি গাভি,১১হাজার ৮শত ৫৫টি ষাড় ও বলদ, মহিষ ৮টি, ৬ হাজার ৫শত ৭৭টি ছাগল ও ১ হাজার ৩শত ৭টি ভেড়া প্রস্তুত রয়েছে। খামারিদের মধ্যে উপজেলার ২নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে আমার খামারে ৬০টি গরু এবং ৫০টি ছাগল বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বর্তমানে গো-খাদ্যের দাম বস্তা প্রতি ২শ’ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি ভাবে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে খামারিদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলার ৬নং নিজপাড়া ইউনিয়নের দামাইক্ষেত্র গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি শাহাজাহান সিরাজ বুলবুল জানান, পবিত্র কোরবানি উপলক্ষে এখন পর্যন্ত ২০টি গরু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে এবার অতিরিক্ত হারে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারিদের খরচ বেড়ে। এজন্য সরকারিভাবে সহায়তা প্রয়োজন। এব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মুহিববুর রহমান বলেন,উপজেলায় কোরবানির জন্য চাহিদার তুলনায় প্রয়োজনীয় পশু প্রস্তুত রয়েছে। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পক্ষ থেকে খামারিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। কৃমির ওষুধ ও ভ্যাকসিনসহ সরকারিভাবে সরবরাহকৃত ওষুধ ফ্রিতে দেওয়া হয়েছে। খামারিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন