1. admin@dailykhaborekdin.com : দৈনিক খবর একদিন :
  2. khaborekdin2012@gmail.com : Khabor Ekdin : Khabor Ekdin
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র আলো প্রকল্পের হেকস্ ইপারের সাথে দিনাজপুর জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে শ্রমিকলীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন দিনাজপুরে পালিত হলো তথ্য অধিকার দিবস দেবীগঞ্জে আনসার ব্যারাক উদ্বোধন জাতীয় কন্যা শিশু দিবসে দিনাজপুরে নারী বাইকারদের বর্ণাঢ্য র‌্যালী দিনাজপুরে বিভিন্ন আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত সুন্দরবন ইউনিয়নে সৌর বিদ্যুৎ চালিত পাম্প এর মাধ্যমে কৃষি সেচ উপর গ্রাহক নির্বাচন উদ্বুদ্ধ করন ও মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বেই প্রতিষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ-হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি নতুন অধ্যক্ষকে দিনাজপুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার্স অফ টেক্সটাইল পরিবারের সংবর্ধনা মরহুম এনামুল আলম শাহ্‘র নামাজে জানাযা সম্পন্ন

পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের সঠিক মানদণ্ড কী?

দৈ‌নিক খবর একদিন ডেস্ক
  • সর্বশেষ সংবাদ শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
  • ১২৩ বার প‌ঠিত

দৈনিক খবর একদিন ধর্মপাতা: বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী নির্বাচন খুবই জরুরি বিষয়। তাই সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন দাম্পত্য জীবনের জন্য পাত্র-পত্রী নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের সঠিক মানদণ্ড কী?
ছেলে-মেয়ে বিয়ের কথা ভাবছেন কিংবা নির্ধারিত কোনো ছেলে-মেয়ে পরস্পরের প্রতি প্রবল আকর্ষণ অনুভব করছেন। তাহলে বিয়ের জন্য ইসলামি শরিয়ত সম্মত পন্থায় অগ্রসর হওয়া জরুরি।
>> পাত্রী নির্বাচনে করণীয়
বিয়ের জন্য পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রথমেই সঠিক মানদণ্ড হল দুইটি। প্রথমটি হলো- সৌন্দর্য আর দ্বিতীয়টি হলো- দ্বীনদারি। অর্থাৎ কোনো নারীকে বিয়ের আগে অবশ্যই প্রথমে তার সৌন্দর্যের বিষয়টি জেনে নিতে হবে। তারপর দ্বীনদারি দেখতে হবে।
সুতরাং যদি কোনো মেয়ের প্রতি মনে প্রবল আকর্ষণ অনুভ‚ত হয় তবে শরিয়ত সম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হওয়া জরুরি। মেয়ে সৌন্দর্য হলে এবং দ্বীনদারি ঠিক থাকলে বিয়ে করায় কোনো বাঁধা নেই।
তবে বিয়ে করার ক্ষেত্রে কোনো মেয়েকে গ্রহণ ও বর্জন যেন হয় দ্বীনদারিকে কেন্দ্র করে। যেমনটি ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন-
‘কোনো পুরুষ যদি কোনও নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় তাহলে সর্বপ্রথম তার সৌন্দর্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। যদি এ ব্যাপারে তার প্রশংসা করা হয় তাহলে তার দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। দ্বীনের ক্ষেত্রে যদি প্রশংসিত হয় তাহলে বিয়ে করবে; অন্যথায় দ্বীনের কারণে প্রত্যাখ্যান করবে।’
কিন্তু এমনটি যেন না হয়-
প্রথমেই মেয়ের দ্বীনদারি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা। এ ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় হলে তারপরে তার সৌন্দর্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা। তারপর সৌন্দর্যের ব্যাপারে প্রশংসনীয় না হলে ফিরিয়ে দেওয়া। তাহলে এ প্রত্যাখ্যান হবে সৌন্দর্যের কারণে; দ্বীনের কারণে নয়।’ (শরহু মুনতাহাল ইরাদাত)
সৌন্দর্য সম্পর্কে হাদিসের নির্দেশনা
১. হজরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন কোনো নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেবে তখন সম্ভব হলে তার এমন কিছু যেন দেখে নেওয়া হয়; যা তাকে বিবাহে উৎসাহিত করে।
বর্ণনাকারী বলেন, ‘আমি একটি মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর তাকে দেখার আকাক্সক্ষা-অন্তরে গোপন রেখেছিলাম। অতঃপর আমি তার মাঝে এমন কিছু দেখি যা আমাকে তাকে বিয়ে করতে আকৃষ্ট করলো। অতঃপর আমি তাকে বিয়ে করি।’ (সুনানে আবু দাউদ)
২. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করা হলো- হে আল্লাহর রাসুল! কোন স্ত্রী সর্বোত্তম?
তিনি বলেন, ‘(স্বামী) যে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে পুলকিত হয়, কোনো নির্দেশ দিলে আনুগত্য করে এবং সে তার নিজস্ব ব্যাপারে বা তার অর্থ-সম্পদের ব্যাপারে স্বামী যেটা অপছন্দ করে তার বিপরীত কিছু
করে না।’ (মুসনাদে আহমদ)
দ্বীনদারি সম্পর্কে হাদিসের নির্দেশনা
হজরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নারীদের (সাধারণত) ৪টি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়। তাহলো-
> তার ধন-সম্পদ।
> বংশমর্যাদা।
> রূপ-সৌন্দর্য। এবং
> দ্বীনদারি বা ধার্মিকতা।
তবে তুমি দ্বীনদার (ধার্মিক) নারীকে বিয়ে করে সফল হয়ে যাও; অন্যথায় তুমি লাঞ্ছিত হবে।’ (আবু দাউদ)
>> পাত্র নির্বাচনে করণীয়
মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্র নির্বাচনে কিছু বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। বিয়ের জন্য পাত্রের অন্যতম যোগ্যতা হচ্ছে দুইটি। প্রথমটি হলো- ‘দ্বীনদারি এবং দ্বিতীয়টি হলো- চারিত্রিক পবিত্রতা।
অর্থাৎ যে পাত্র আল্লাহকে ভয় করে ফরজ ইবাদতসমূহ যথাযথভাবে আদায় করে এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকে। আর আচার-আচরণগত দিক থেকে উত্তম হয়, সেই পাত্রই বিয়ের জন্য উপযুক্ত ও উত্তম।
মেয়েদের বিয়ের ব্যাপারে কেন পাত্রের কাছে বিয়ে দেওয়া উত্তম তা বর্ণনা করে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে যদি এমন পাত্র বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে- যার দ্বীনদারি ও চরিত্র তোমাদের কাছে পছন্দনীয়; তবে তার সঙ্গে তোমাদের কন্যাদের বিয়ে দিয়ে দাও। যদি তোমরা এরূপ না কর (দ্বীনদার ও চরিত্রবান পাত্রকে ফিরিয়ে দাও এবং তাদের সঙ্গে কনের বিয়ে না দাও) তবে এর কারণে জমিনে অনেক বড় ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি হবে।’ (তিরমিজি)
তবে হাদিসে সৌন্দর্য বলতে শুধু শারীরিক এবং বাহ্যিক রূপ-সৌন্দর্যকে বুঝায় না বরং মন ও মননের সৌন্দর্য এবং আচার-আচরণে বিশেষ গুণ-বৈশিষ্ট্য, জ্ঞান, মেধা, যোগ্যতা, বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদিও অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখতে হবে
পাত্র কিংবা পাত্রী দেখতে সাদা-কালো হতে পারে এ বিষয়টি আপেক্ষিক। সবার দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। একজনের কাছে কাউকে আকর্ষণীয় মনে হলেও অন্যের কাছে তা নাও হতে পারে। কারো কাছে ফর্সা ভালো লাগে তো কারো কাছে ভালো লাগে কালো বা শ্যামলা।
সুতরাং পাত্র-পাত্রী একে অপরকে বিয়ে করার আগে ছেলেরা প্রথমে মেয়েদের সৌন্দর্য ও পরে দ্বীনদারি দেখবে। আর মেয়েরা কিংবা মেয়ের অভিভাবক মেয়ের জন্য পাত্র নির্বাচনে প্রথমে দ্বীনদারি ও পরে চারিত্রিক পবিত্রতার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেবে।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর প্রত্যেক ছেলে-মেয়েকে ইসলামি শরিয়ত সম্মত উপায়ে বিয়ে করে সুন্দর ও উত্তম দাম্পত্য জীবন গঠন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সংবাদ
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )
%d bloggers like this: