1. admin@dailykhaborekdin.com : দৈনিক খবর একদিন :
  2. khaborekdin2012@gmail.com : Khabor Ekdin : Khabor Ekdin
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র আলো প্রকল্পের হেকস্ ইপারের সাথে দিনাজপুর জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে শ্রমিকলীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন দিনাজপুরে পালিত হলো তথ্য অধিকার দিবস দেবীগঞ্জে আনসার ব্যারাক উদ্বোধন জাতীয় কন্যা শিশু দিবসে দিনাজপুরে নারী বাইকারদের বর্ণাঢ্য র‌্যালী দিনাজপুরে বিভিন্ন আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত সুন্দরবন ইউনিয়নে সৌর বিদ্যুৎ চালিত পাম্প এর মাধ্যমে কৃষি সেচ উপর গ্রাহক নির্বাচন উদ্বুদ্ধ করন ও মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বেই প্রতিষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ডিজিটাল বাংলাদেশ-হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি নতুন অধ্যক্ষকে দিনাজপুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার্স অফ টেক্সটাইল পরিবারের সংবর্ধনা মরহুম এনামুল আলম শাহ্‘র নামাজে জানাযা সম্পন্ন

কুড়িগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, নেই আইসিইউ সাপোর্ট

দৈ‌নিক খবর একদিন ডেস্ক
  • সর্বশেষ সংবাদ রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ৪৩ বার প‌ঠিত

দৈনিক খবর একদিন : কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালটি ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, রয়েছে আট তলা নতুন ভবন। সীমিত পরিসরে হলেও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সুবিধাও যোগ হয়েছে স¤প্রতি। কিন্তু করোনা মহামারির সময়েও চিকিৎসক সংকটে ধুঁকছে হাসপাতালটি। ২৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক মাত্র ১৪ জন। নেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)। ফলে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও রোগীরা পাচ্ছেন না কাক্সিক্ষত চিকিৎসাসেবা। এমনই অবস্থা ২৫০ শয্যার কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন ভবন, ২৫০ শয্যার যাবতীয় সুবিধা ও সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসকসহ অবেদনবিদ না থাকায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও আইসিইউ সুবিধা পাচ্ছেন না কুড়িগ্রামের রোগীরা। সরকারি হাসপাতাল তো বটেই; জেলার বেসরকারি পর্যায়ের কোনও হাসপাতালেও আইসিইউ সুবিধা নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গুরুতর অসুস্থ কোনও রোগীর উন্নত চিকিৎসা কিংবা আইসিইউর জন্য ৫৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে রংপুর যেতে হয়। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে গেলেও জেলার সংকটাপন্ন রোগীর জীবন রক্ষা নিয়ে বাড়ছে সংশয়। হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫০ শয্যার কুড়িগ্রাম হাসপাতাল পরবর্তী সময়ে ১০০ শয্যায় উন্নীত হয়। ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার পর হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের জন্য ২০১৩ সালে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতালের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পেতে শুরু করে। প্রায় চার বছর ধরে মেডিসিন ও ডাইটসহ অন্যান্য সুবিধা পেলেও শুরু থেকেই চিকিৎসক সংকটে রয়েছে হাসপাতালটি। ফলে প্রায় ২২ লক্ষাধিক জনসংখ্যার জেলার মানুষ কাক্সিক্ষত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও হাসপাতালে মাত্র ১৪ জন চিকিৎসক কর্মরত। অথচ ২৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য বিভিন্ন পদে ৬৫ জন চিকিৎসকের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ছয়টি পদ থাকলেও হাসপাতালটিতে কোনও ইমারজেন্সি মেডিকেল কর্মকর্তা নেই। ২০টি পদের বিপরীতে বিভিন্ন বিভাগের কনসালট্যান্ট রয়েছেন নয়জন। ইএনটি, চক্ষু, চর্ম ও যৌন, রেডিওলজি ও প্যাথলজি বিভাগে কোনও কনসালট্যান্ট নেই। আটটি পদের বিপরীতে ইনডোর মেডিকেল কর্মকর্তা রয়েছেন মাত্র একজন। আর মেডিকেল অফিসারের ১০টি পদের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র তিনজন। নেই অবেদনবিদ, রেডিওলজিস্ট ও প্যাথলজিস্ট। রোগীর চাপ সামলাতে অনেক সময় উপ-সহকারী মেডিকেল কর্মকর্তা (সেকমো) দিয়ে জরুরি বিভাগ ও আউটডোর চালানো হয়। চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্যসেবার চরম দুরবস্থার কথা স্বীকার করে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. পুলক কুমার সরকার বলেন, আমরা হিমশিম খাচ্ছি। এর মধ্যে কোভিড আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালটির কোভিড ইউনিটের বেড সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮০ করা হয়েছে জানিয়ে আরএমও বলেন, ৩ জুলাই পর্যন্ত কোভিড ইউনিটে ৬৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ২০ জনের অবস্থা অস্থিতিশীল। রোগীর সংখ্যা বাড়লেও চিকিৎসক সংকটের কারণে ওই ইউনিটে (প্রতি ১২ ঘণ্টায়) মাত্র একজন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। রোগী বাড়ায় সেবা দিতে চিকিৎসকদের কষ্ট হচ্ছে জানিয়ে হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. মো. শহীদুল্লাহ বলেন, চিকিৎসক চেয়ে ও আইসিইউ সুবিধার জন্য আমরা বারবার কর্তৃপক্ষকে চাহিদা দিচ্ছি। তারা শুধু আশ্বাস দিচ্ছেন। এমন অবস্থায় কোনও রোগীর আইসিইউর প্রয়োজন হলে তাকে রংপুর পাঠাতে হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তত্ত¡াবধায়ক বলেন, আমাদের আইসিইউ সুবিধা সম্পন্ন কোনও অ্যাম্বুলেন্সও নেই। ফলে ঝুঁকি থাকলেও প্রয়োজনের কারণে রোগীকে রংপুরেই যেতে হচ্ছে। জেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়লেও আইসিইউ সুবিধা মিলছে না এমন ইঙ্গিত দিয়ে সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, আইসিইউর জন্য আমরা বারবার কর্তৃপক্ষকে চাহিদা দিচ্ছি। কিন্তু জনবল সংকট এবং সরঞ্জামের অভাবে এই সুবিধা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষের কাছে আইসিইউর চাহিদা দিলে আমরা প্রশাসনিকভাবে সুপারিশ করবো। মহামারির এই সময়ে উপজেলা পর্যায়ে রোগীরা যেন অন্তত অক্সিজেন সুবিধা পান সেজন্য জেলার সামর্থ্যবান ও ধনাঢ্যদের এগিয়ে আসার আহŸান জানান জেলা প্রশাসক।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সকল সংবাদ
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )
%d bloggers like this: